বিটিপিটি

শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য শিক্ষা কী ?

শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য শিক্ষা বলতে কী বুঝায়?
শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশে শারীরিক শিক্ষার ভূমিকা অপরিসীম। একটি সুস্থ সুন্দর জাতি গড়ে তোলার  জন্য প্রয়োজন স্বাস্থ্যবান শিশু। এজন্য ব্যক্তিগত ভাবে পরিচ্ছন্ন ও সুস্থ থাকতে হবে। 
একটি স্বাস্থ্যবান শিশুই গড়ে তুলতে পারে সুন্দর একটি দেশ। দেশ গঠনে অবদান রাখতে হলে নিজেকে আগে সুন্দর ও সুস্থ রাখতে হবে এবং তার জন্য কিছু কাজ নিজেকেই করতে হবে। 
দেহের কোন অংশ অপরিচ্ছন্ন থাকলে  শরীরে নানা রোগ জীবাণু প্রবেশের সুযোগ পায়। তাই সুস্থ থাকতে হলে সকলকেই পরিষ্কার ও পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে। নিজেকে পরিচ্ছন্ন ও সুন্দর রাখতে হলে নিয়মিত কিছু নিয়ম মেনে চলা অত্যন্ত প্রয়োজন। 

শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ের গুরুত্ব 
ভালো থাকতে হলে শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ের উপর গুরুত্ব দিতে হবে।এজন্য প্রতিদিন নিয়মিত ভাবে কিছু নিয়ম নীতি মেনে চলা প্রয়োজন। এগুলো নিচে দেয়া হলো-
গোসল: আমরা প্রতিদিন নানা প্রকার কাজ কর্মে যুক্ত থাকি। যার ফলে শরীরে  ধূুলা ময়লা জমে। তাই শরীর পরিষ্কার রাখার জন্য প্রতিদিনই ভালোভাবে সাবান দিয়ে গোসল করা উচিত ।
হাত:
হাত আমাদের শরীরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। হাত দিয়ে নানা কাজ করা হয়। এতে হাতে নানা ময়লা জমে। তাই খাবার খাওয়ার পূর্বে খুব ভালো ভাবে সাবান দিয়ে হাত ধোয়া দরকার । বিশেষ করে খাবার আগে ও পরে। 
পা:
প্রতিদিন বাইরে যাওয়া ও খেলা ধুলা করার জন্য আমরা বিভিন্ন জায়গায় যাই। এজন্য পায়ে ময়লা জমে। তাই বাইরে থেকে এসে ভালো করে সাবান দিয়ে পা ধুয়ে ঘরে ঢোকা উচিত।
দাঁত:
শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অংশ দাঁত । আমরা দাঁত দিয়ে চিবিয়ে খাবার খাই। এতে দাঁতে অনেক ময়লা জমে।তাই দাঁত এর স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য প্রতিদিন খাবার পরে ভালোভাবে দাঁত পরিষ্কার করা প্রয়োজন।
মুখ:
সকালে ঘুম থকে উঠে, খাবার আগে ও পরে, খেলাধুলা করার পর বাইরে থেকে বাড়িতে এসে এবং রাতে ঘুমানোর আগে মুখমন্ডল ভালোভাবে ধুয়ে পরিষ্কার গামছা বা তোয়ালে দিয়ে মুছে ফেলতে হবে।
চুলঃ চুল দেহের সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। দিনে কমপক্ষে চার পাঁচ বার চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়াতে হবে। নিয়মিত সাবান বা শ্যা¤পু দিয়ে চুল পরিষ্কার করতে হবে।
চোখ:
চোখ আমদের অমূল্য সম্পদ । নিয়মিত চোখ বিশুদ্ধ ও ঠান্ডা পানি দিয়ে চোখ ধোয়া আবশ্যক। কারণ চোখ দিয়ে আমরা দেখি। 
ব্যক্তিগত পোশাক পরিচ্ছদ:
 আমরা নানা রকম পোশাক পরি । পোশাক আমাদের লজ্জা নিবারণ করে, শীত তাপ থেকে শরীরকে রক্ষা করে। পোশাক ময়লা হলে ধুয়ে ফেলতে হবে। ভেজা পোশাক পরা ঠিক নয়।  
মানসিক স্বাস্থ্য: 
শারীরিক সুস্থতার পাশাপাশি আমাদেরকে মানসিকভাবেও সুস্থ থাকতে হবে। স্বাস্থ্য সুরক্ষার অন্যতম উপায় হচ্ছে মেডিটেশন। এজন্য নিয়মিত মেডিটেশন করা প্রয়োজন।

নীচের প্রশ্নগুলোর উত্তর কমেন্টে লিখুন ও অনুশীলন করুনঃ
ক) শারীরিক শিক্ষার সাথে মানসিক স্বাস্থ্য শিক্ষার সম্পর্ক কী ?
খ) শিশুর সামগ্রিক বিকাশে শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য শিক্ষার ভূমিকা কী?
গ) প্রাথমিক শিক্ষায় শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য শিক্ষার গুরুত্ব কী?

মতামত দিন

নিউজলেটার

থাকার জন্য আমাদের নিউজলেটার সাবস্ক্রাইব করুন।