প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার বিকাশের ক্ষেত্র ও শিখনক্ষেত্র
প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার বিকাশের ক্ষেত্র ও শিখনক্ষেত্র
প্রাথমিক শিক্ষার পূর্বে শিশুর সার্বিক বিকাশের পাশাপাশি বিদ্যালয়ে শিশুর সহজ প্রবেশ এবং প্রাথমিক শিক্ষায় স্বতঃস্ফ‚র্ত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ভিত্তি হলো দুই বছর মেয়াদি প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা। বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে প্রারম্ভিক শিখন ও বিকাশের আদর্শিক মান ২০২০ (Early Learning and
Development Standards-ELDS) অনুযায়ী শিশুর সার্বিক বিকাশের ৪টি ক্ষেত্রকে বিবেচনায় রেখে এবং শিক্ষাক্রমের চাহিদা, বিভিন্ন সরকারি, বেসরকারি, আন্তর্জাতিক শিক্ষাক্রম, গবেষণাপত্র ও দলিল পর্যালোচনা করে শিশুদের জন্য প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষায় ৯টি শিখনক্ষেত্র (Learning Area) নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষাক্রমে শিশুর বিকাশের ক্ষেত্র (ELDS) কয়টি ও কী কী?
জাতিসংঘ কর্তৃক আন্তর্জাতিক উদ্যোগের অংশ হিসেবে বাংলাদেশের মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট সরকারি, বেসরকারি ও কারিগরি সংস্থার সহায়তায় শিশুর প্রারম্ভিক শিখন ও বিকাশের ৪টি Domain বা ক্ষেত্রকে প্রমিত মান হিসেবে চিহ্নিত করেছে। এক্ষেত্রগুলো Early Learning Development Standards বা ELDS নামে পরিচিত। এগুলোকে ৪টি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা:
১. শারীরিক ও চলন ক্ষমতার বিকাশ,
২. সামাজিক ও আবেগিক দক্ষতার বিকাশ,
৩. ভাষা ও যোগাযোগ দক্ষতার বিকাশ,
৪. বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশ।
প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষাক্রমে শিখনক্ষেত্র (learning area) কয়টি ও কী কী?
প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষাক্রমের চাহিদা অনুযায়ী বিভিন্ন সরকারি, বেসরকারী, আন্তর্জাতিক শিক্ষাক্রম, গবেষণা ও দলিল পর্যালোচনা করে শিশুদের প্রারম্ভিক শিখন ও বিকাশের এই ৪টি ক্ষেত্রকে ৮টি শিখন ক্ষেত্রে (learning area) বিভাজন করা হয়েছে। শিশুর বিকাশের এ ৪ টি ক্ষেত্র অনুযায়ী ৮টি শিখন ক্ষেত্র নিচে উল্লেখ করা হলো:
১. শারীরিক ও চলনক্ষমতা,
২. সামাজিক ও আবেগিক,
৩. ভাষা ও যোগাযোগ,
৪. প্রারম্ভিক গণিত,
৫. সৃজনশীলতা ও নান্দনিকতা,
৬. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি,
৭. পরিবেশ,
৮. স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা।
মতামত দিন