বিষয়ভিত্তিক - Proshikkhon

বিষয়ভিত্তিক

16Sep2021

Introduction Teaching and Learning Materials of Elementary Science

নবায়নকৃত প্রাথমিক শিক্ষাক্রমের আলোকে ইতোমধ্যে নতুন পাঠ্যপুস্তক প্রনয়ন পূর্বক শিক্ষার্থীদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে৷ কিন্তু শিক্ষকগণের জন্য কোন শিক্ষাক্রম বিস্তরণ প্রশিক্ষণ কোর্সের আয়োজন করা হয়নি৷ ফলে নব প্রনয়নকৃত বিজ্ঞান পাঠ্যপুস্তকের বিষয়বস্তু, পরিসর, বৈশিষ্ট্য ইত্যাদি বিষয়ে কোন ধারণা পাননি৷ এমতাবস্থায়, শিক্ষকগণের পাঠ্য পুস্তক পরিচিতি অতীব জরুরী৷তাই এই অধিবেশনের আয়োজন অতীব গুরুত্বপূর্ণ ৷

প্রাথমিক বিজ্ঞান শিখন শেখানো সামগ্রী পরিচিতি

[…]
4Sep2021

The process of formulating the primary science curriculum

প্রাথমিক বিজ্ঞান শিক্ষাক্রম প্রণয়ন প্রক্রিয়া সম্পর্কে বর্ণনা করা হলো:

[…]
4Sep2021

The purpose of elementary science training

বর্তমান যুগ বিজ্ঞানের যুগ। প্রযুক্তির উন্নয়নে বিজ্ঞানের অবদান সর্বাধিক। বিজ্ঞান প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্য সম্পর্কে প্রাথমিক স্তরের প্রত্যেক শিক্ষকের ধারণা থাকা আবশ্যক। নিম্নে প্রাথমিক বিজ্ঞান প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্য সম্পর্কে বর্ণনা করা হলো:

[…]
11Aug2021

Teaching Aids : Uses & Its Principles, Collection, Making and Preservation

শিক্ষোপকরণ ও এর ব্যবহার

প্রাথমিক শিক্ষায় শিক্ষোপকরণ ও এর ব্যবহার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়৷ শিশুর সামনে বিষয়বস্তুকে সহজবোধ্য ও আকর্ষণীয় করে তোলার জন্য শিক্ষোপকরণের বিকল্প নেই৷ এর মাধ্যমে জটিল, বিমূর্ত, ও দূর্বোধ্য বিষয়গুলোকে শিক্ষার্থীদের সামনে সহজ ভাবে উপস্থাপন করা যায়৷ একজন শিক্ষকের তাই শিক্ষোপকরণ ও এর ব্যবহার সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ ধারণা থাকা প্রয়োজন৷ 

শ্রেণিতে শিক্ষাপোকরণ ব্যবহার করে কি ধরণের সুবিধা পাওয়া যায়, পাঠকে কিভাবে আরো আকর্ষণীয় করে তোলা যায়, কিভাবে পাঠকে বাস্তবভিত্তিক করে তোলা যায় কিভাবে বিমূর্ত বিষয়কে মূর্ত করে তোলা যায় এগুলো বোঝার জন্য শিক্ষাপোকরণের প্রয়োজনীয়তা জানা প্রয়োজন৷

শিক্ষা উপকরণ ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা

  • বিষয়বস্তুকে সহজ ও প্রাণবন্ত করতে;
  • শিক্ষার্থীদের মনযোগ আকর্ষণ করতে;
  • শিখনফল অর্জন নিশ্চিত করা;
  • জটিল বিষয়কে খুব সহজে উপস্থাপন করা;
  • শিখনফল দীর্ঘস্থায়ী করা;
  • শিখন ফলপ্রসূ ও স্থায়ী করতে;
  • উপকরণ ব্যবহার ও অনুশীলনের যথাযথ সুযোগ সৃষ্টি করা;
  • শিখন শেখানো কার্যক্রমে সকল শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি করা;
  • পাঠকে জীবনভিত্তিক ও বাস্তবসম্মত করা;
  • শিক্ষার্থীদের পাঠের সাথে সম্পৃক্ত করে তুলতে;
  • শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল ও চিন্তাশীল করে তুলতে;
  • পাঠের একঘেয়েমী দূর করতে;
  • ইন্দ্রিয় শক্তির ব্যবহার বাড়াতে;
  • শ্রেণি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে।

শিক্ষা উপকরণ ব্যবহারের নীতিমালা

  • শ্রেণির আয়তন ও শিক্ষার্থীর সংখ্যার প্রতি খেয়াল রেখে উপকরণের সাইজ নির্ধারণ করা।
  • পেছনের সারি হতেও যাতে দেখা যায় তা মাথায় রেখে সকলের দৃষ্টিগ্রাহ্য ও স্পষ্টতার দিকে বিশেষ নজর দেওয়া।
  • শিক্ষার্থীর বয়স, মেধা, রূচি ও সামর্থ্যের প্রতি লক্ষ্য রাখা।
  • পাঠ্যপুস্তকের বিষয়বস্তুর সহিত মিল রাখা।
  • কাঠিন্য পরিহার করে সহজভাবে উপস্থাপন করা।
  • উপকরণকে শিক্ষাক্রমের সাথে সমন্বয় করা।
  • অকারণেই অধিক চাকচিক্য পরিহার করা।
  • উপকরণকে বোধগম্য ও অর্থপূর্ণ করা।

উপকরণ ব্যবহারের কৌশল

  • শ্রেণিতে প্রবেশ করেই উপকরণ প্রদর্শন না করা;
  • উপস্থাপন পর্যায়ে যখন প্রয়োজন তখন প্রদর্শন করা;
  • যতক্ষণ প্রয়োজন ঝুলিয়ে রাখা;
  • উপকরণ প্রদর্শনে শিশুদের সহায়তা নেওয়া;
  • উপকরণ হিসেবে শ্রেণির শিশুদের ব্যবহার করা;
  • সকলের জন্য দৃশ্যমান করে উপকরণ উপস্থাপন করা;
  • শ্রেণিকক্ষের প্রতিটি জিনিসকে প্রয়োজনে পাঠের সাথে সংশ্লিষ্ট করে উপকরণ হিসেবে ব্যবহার করা;
  • উপকরণের ওপর প্রশ্ন করা বা উপকরণ সম্পর্কে কিছু বলতে দেওয়া।

আমাদের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নানান রকমের শিক্ষোপকরণ ব্যবহার হয়৷ বিষয় ভিত্তিক নানান উপকরণ রয়েছে৷ উপকরণগুলোর ব্যবহার শৈলীর মধ্যেও অনেক পার্থক্য আছে৷ একজন শিক্ষকের এই ভিন্ন ভিন্ন উপকরণগুলোর ব্যবহার শৈলী জানা প্রয়োজন৷ এছাড়াও শ্রেণিকক্ষে উপকরণ প্রদর্শনের নির্দিষ্ট কিছু নিয়মকানুন আছে যাতে সকল শিক্ষার্থী উপকরণ ব্যবহারের সুফল পায় এবং শ্রেণি পাঠদান সার্থক হয়৷  

একটি শিক্ষোপকরণ শুধু একবারই ব্যবহার হয় না৷ কিংবা বিদ্যালয়ে শুধু একজন শিক্ষকই ব্যবহার করেন না৷ এগুলো বার বার ব্যবহার হয়৷ তাই এগুলো সঠিক ভাবে সংরক্ষণের উপায় জানা জরুরী৷ বিদ্যালয়ে বিষয় অনুযায়ী উপকরণ গুলো সাজিয়ে রাখলে খুজে পেতে সুবিধা হয়৷ ছোট ছোট উপকরণ গুলো বক্সে রাখা যেতে পারে৷ পোস্টার, ছবি, মানচিত্র ইত্যাদি দেয়ালে ঝুলিয়ে বা গোল করে পেচিয়ে রাখা যেতে পারে৷ সকল উপকরণ শুকনা স্থানে রাখা প্রয়োজন৷

শিক্ষা উপকরণ সংগ্রহ ও তৈরি

প্রতি শিক্ষাবর্ষের শুরুতে শিক্ষক স্ব-প্রণোদিত হয়ে বিষয় সংশ্লিষ্ট শিক্ষা উপকরণ তৈরি ও সংগ্রহ করবেন। একজন শিক্ষক নিজ উদ্যোগে শিক্ষা উপকরণ তৈরি ও সংগ্রহ করার জন্য যা করতে পারেন:

  • তিনি যেসকল বিষয়ে পাঠদান করেন তার একটি তালিকা প্রণয়ন করতে হবে।
  • তালিকা দেখে কোন কোন উপকরণ সহজলভ্য ও স্থানীয়ভাবে পাওয়া যাবে তা চিহ্নিত করতে হবে। এক্ষেত্রে তালিকা প্রণয়নের সময় সহজলভ্যতার বিষয়টি বিবেচনায় রাখতে হবে।
  • তালিকা অনুসারে প্রথমে নিকট পরিবেশ, স্থানীয় জনগণ ও অভিভাবকদের থেকে সহজলভ্য উপকরণ সংগ্রহ করতে হবে।
  • বিনামূল্যে উপকরণ সংগ্রহ করার বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করতে হবে।
  • যে সকল উপকরণ সংগ্রহ করা হবে তার স্থায়ীত্ব বিবেচনা করে তা দীর্ঘদিন অথবা বারবার ব্যবহার করা যাবে কিনা তা মাথায় রাখতে হবে।
  • শিক্ষার্থীর বয়স, আগ্রহ, সামর্থ্য ও রুচির প্রতি খেয়াল রেখে শিক্ষা উপকরণ সংগ্রহ ও তৈরি করার পরিকল্পনা করতে হবে।
  • সম্ভাব্য উপকরণটি শিক্ষার্থীর পাঠ গ্রহণে আগ্রহ সৃষ্টির জন্য যথেষ্ট সহায়ক কি না তা বিবেচনা করতে হবে।
  • প্রয়োজনে একই উপকরণ বিভিন্ন বিষয়ে ব্যবহার করা যায় কি না তা খেয়াল রাখতে হবে।
  • শিক্ষা উপকরণের কাঠামো শ্রেণী উপযোগী কি না তা বিবেচনা করতে হবে।
  • তালিকা অনুসারে উপকরণ সংগ্রহের পাশাপাশি স্বল্পখরচে উপকরণ তৈরি করতে হবে। এক্ষেত্রে বিদ্যালয়ের সকলে মিলে পরিকল্পনা মাফিক সময় নির্ধারণ করতে হবে। প্রয়োজনে শিক্ষার্থীদের সাথে নিয়েও কম খরচে ও স্বল্প পরিশ্রমে উপকরণ তৈরি করতে হবে।

শিক্ষা উপকরণ সংরক্ষণ

শিক্ষা উপকরণ সংগ্রহ ও তৈরি করার পাশাপাশি শিক্ষককে অবশ্যই একটি ব্যাপার মাথায় রাখতে হবে তা হলো যথাযথভাবে উপকরণ সংরক্ষণ করা। আমাদের দেশে উপকরণ সংরক্ষণ করে সেই উপকরণ বারবার ব্যবহার করার বিষয়ে সচেতনতার ঘাটতি লক্ষ্য করা যায়। সঠিকভাবে শিক্ষা উপকরণ সংগঠিত না করলে এবং এগুলোর যথাযথ সংরক্ষণের অভাবে উপকরণ সংগ্রহ ও তৈরি করার পুরো প্রচেষ্টাই ব্যর্থ হবে। কাজেই শিক্ষা উপকরণ সংগ্রহ ও তৈরি হয়ে গেলে এসবের যথাযথ সংরক্ষণ করা জরুরী।

শিক্ষা উপকরণ সংরক্ষণের কিছু উপায় নিচে তুলে ধরা হলো:

  • সর্বপ্রথমে একটি উপকরণ কর্ণার নির্ধারণ করতে হবে।
  • স্টক রেজিস্টার চালু করতে হবে এবং সব ঠিকঠাক আছে কিনা নিয়মিত যাচাই করতে হবে।
  • কক্ষটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন, যথাযথ আলোর ব্যবস্থা এবং অবশ্যই জীবাণুমুক্ত ও কীট পতঙ্গমুক্ত হতে হবে।
  • প্রত্যেক শ্রেণি ও বিষয়ের জন্য আলাদা আলাদা আলমারী কিংবা র‌্যাক ট্যাগ লাগিয়ে রাখতে হবে যাতে প্রয়োজনের সময় দ্রুত খুঁজে পাওয়া যায়।
  • প্রতিটি শিক্ষা উপকরণের নাম, সংগ্রহের তারিখ, স্থান, সংগ্রহকারীর নাম ইত্যাদির একটি সংক্ষিপ্ত বিবরণযুক্ত লেবেল লাগিয়ে রাখলে ভালো হয়।
  • দামী ও দুর্লভ উপকরণের ক্ষেত্রে নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করতে হবে।
  • ব্যবহারের পর অবশ্যই নির্দিষ্ট স্থানে সংরক্ষণ করতে হবে।
  • পঁচনশীল উপকরণ সংরক্ষণের জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণ পানি, ফরমালিন ইত্যাদি মিশিয়ে রাখতে হবে।
  • বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি শ্রেণীকক্ষে ব্যবহার করার পূর্বেই তা পরীক্ষা করতে হবে এবং অতি সাবধানতার সাথে ব্যবহার করতে হবে।
  • উপকরণ সংরক্ষণের জন্য নির্ধারিত কক্ষের দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট বিষয় শিক্ষককে প্রদান করলে ভালো হয়।
  • যেসব উপকরণ শ্রেণীকক্ষে ঘন ঘন ব্যবহারের প্রয়োজন হয় সেসব উপকরণ একটি নির্দিষ্ট স্থানে এবং যেসব উপকরণ ঘন ঘন ব্যবহার হয় না সেসব উপকরণ পৃথক স্থানে রাখার ব্যবস্থা করতে হবে।

শিক্ষা উপকরণ ও এর সংজ্ঞা, শ্রেণিবিভাগ ও বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এই লিংকে প্রেস করুন।

10Aug2021

Summative evaluation

সামষ্টিক মূল্যায়ন কী?

সামষ্টিক মূল্যায়ন টার্মটি চূড়ান্ত বা প্রান্তিক মূল্যায়ন নামেও পরিচিত। একটি নির্দিষ্ট কোর্স শেষে শিক্ষার্থীর শিখন অর্জন চূড়ান্তভাবে যাচাই করার উদ্দেশ্যে যে মূল্যায়ন করা হয়, তাকেই সামষ্টিক মূল্যায়ন বলা হয়। এ মূল্যায়নের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের শিখন অর্জনের তুলনামূলক পরিস্থিতি সম্পর্কে জানা যায়৷ চূড়ান্ত বা সামষ্টিক মূল্যায়ন একটি নিদিষ্ট সময়ের শেষেও নেওয়া যায়৷ কোন শিক্ষা পরিকল্পনা বা শিক্ষা কার্যক্রমের শেষে এসে যে মূল্যায়ন করা হয় তাকে সামষ্টিক মূল্যায়ন বলে।

সামষ্টিক মূল্যায়নের সংজ্ঞা

আর. এন প্যাটেলের এর মতে- “কোন কর্মকান্ড সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ ও সর্বশেষ মূল্যায়ন বা সিদ্ধান্ত কে সামষ্টিক মূল্যায়ন বলে”।

এর প্রাথমিক উদ্দেশ্যসমূহ- গ্রেড নির্ণয়, শিক্ষণ দক্ষতার বিচার, শিক্ষাক্রমের পর্যালোচনা, ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনায় উপযুক্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ, শিক্ষার্থীর পারদর্শিতা সামগ্রিকভাবে মূল্যায়ন, শিক্ষণ পদ্ধতির কার্যকারিতা যাচাই ইত্যাদি ।

সামষ্টিক বা চূড়ান্ত মূল্যায়নের বৈশিষ্ট্য

  • সামষ্টিক মূল্যায়ন আনুষ্ঠানিকভাবে করা হয়।
  • শিক্ষার্থীর শিখন অগ্রগতি সম্পর্কে সার সংক্ষেপ পাওয়া যায়।
  • একটি নির্দিষ্ট সময় যেমন : বছর, ৩ মাস, ৬ মাস ইত্যাদি শেষে এ মূল্যায়ন করা হয়৷
  • এ মূল্যায়নের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের নম্বর/মাকর্স প্রদান করে শিক্ষার্থীদের শিখনের তুলনামূলক চিত্র পাওয়া যায়৷
  • এ মূল্যায়নে শিক্ষার্থীদের শ্রেণিতে প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় স্থান অধিকার উল্লে­খ থাকে৷ কখনও গ্রেড দেওয়া হয়৷
  • এ মূল্যায়নে শিক্ষার্থীদের পাশ ও ফেল নির্ধারণ করা হয়৷ যারা পাশ করে তাদের কোন কোন ক্ষেত্রে সার্টিফিকেট ও পুরস্কার দেওয়া হয়৷
  • এ মূল্যায়নের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হল শিক্ষার্থীর কৃতিত্ব বা পারদর্শিতা মূল্যায়ন৷
  • চূড়ান্ত মূল্যায়ন অভীক্ষা প্রয়োগ করে বা প্রজেক্টের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়।
  • এটি শিক্ষার্থী কর্তৃক নির্দিষ্ট কোন বিষয়ে দক্ষতা অর্জনের চূড়ান্ত অবস্থার মূল্যায়ন।

  সামষ্টিক বা চূড়ান্ত মূল্যায়নের সীমাবদ্ধতা

এ মূল্যায়ন অনেকক্ষেত্রে পাশনির্ভর পরীক্ষা হিসেবে বিবেচিত হয়৷ ধারাবাহিক মূল্যায়ন ব্যতীত এ পদ্ধতি এককভাবে শিক্ষার্থীর যোগ্যতা অর্জন সফল না হওয়ার সম্ভাবনা থাকে৷দুর্বল শিক্ষার্থীদের নিরাময়মূলক ব্যবস্থা নিয়ে শিখন ঘাটতি দূরীকরণের সুযোগ থাকে না৷এ মুল্যায়নে শিক্ষার্থীর আচরণের যে দিকগুলো আসা উচিত তা হল জ্ঞান, দক্ষতা ও অনুভূতি৷ প্রচলিত চূড়ান্ত মূল্যায়নে সাধারণত জ্ঞান অর্জনমূলক আচরণ যাচাই করা হয়৷

সামষ্টিক বা চূড়ান্ত মূল্যায়নে ব্যবহৃত উপকরণ

১. লিখিত পরীক্ষা : যেমন-  রচনামূলক ও নৈর্ব্যক্তিক অভীক্ষা।

২. মৌখিক পরীক্ষা : যেমন- ভর্তি পরীক্ষা বা এ ধরণের কোন পরীক্ষা ও পাবলিক পরীক্ষা।

৩. ব্যবহারিক পরীক্ষা

৪. এছাড়াও অ্যাসাইনমেন্ট, টার্ম পেপার বা কিউমুলেটিভ রেকর্ড সামষ্টিক মূল্যায়নে ব্যবহৃত হতে পারে।

বাংলাদেশে প্রচলিত সামষ্টিক মূল্যায়ন

সাময়িক মূল্যায়ন:

প্রথম সাময়িক ও দ্বিতীয় সাময়িক কখন সম্পন্ন হয়?

৩-৪ মাস পরে প্রথম সাময়িক মূল্যায়ন হয়, ৬-৭ মাস পরে দ্বিতীয় সাময়িক মূল্যায়ন হয়৷

বার্ষিক মূল্যায়ন:

বছরের শেষে সমগ্র বইয়ের ওপর অনুষ্ঠিত হয৷

মূল্যায়নের স্থান: নিজ বিদ্যালয়

পরিচালনার দায়িত্ব:

বিদ্যালয় পর্যায়ে পরিচালনার দায়িত্ব প্রধান শিক্ষক ও অন্যান্য শিক্ষকগণের এবং উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসার পরীক্ষা পরিচালনার দায়িত্ব পালন করে আসছে, স্ব-স্ব বিদ্যালয়ের বিষয় শিক্ষকগণ সামষ্টিক মূল্যায়নের জন্য প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করে থাকেন৷

উপজেলা শিক্ষা অফিস কর্তৃক প্রণীত অভিন্ন প্রশ্ন ব্যবহার করে এ মুল্যায়ন করা হয়৷

ফলাফল:

বিদ্যালয়ের শিক্ষক কর্তৃক উত্তরপত্র মূল্যায়ন এবং প্রধান শিক্ষক উত্তরপত্র যাচাই করা হয়৷

ফলাফল প্রস্তুত করে শিক্ষক ও প্রধান শিক্ষক কর্তৃক অংশীজনের উপস্থিতিতে ফলাফল ঘোষণা করা হয়৷ ফলাফলে কৃতকার্য ও অকৃতকার্য এবং শ্রেণিতে মেধা তালিকায় স্থান ঘোষণা করা হয়৷

প্রাথমিক স্তরের সমাপনী পরীক্ষা কী?   

পাঁচ বছর মেয়াদি প্রাথমিক শিক্ষা সমাপ্তির পরে শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক শিক্ষায় যোগ্যতা অর্জন যাচাইয়ের উদ্দেশ্যে যে পাবলিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়, তা হল সমাপনী পরীক্ষা৷

কখন ও কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?

পঞ্চম শ্রেণির শেষে নভেম্বর/ডিসেম্বর মাসে এ পরীক্ষা উপজেলা পর্যায়ে কয়েকটি কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয়৷

ধারাবাহিক বা গাঠনিক মূল্যায়ন সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এই লিংকে প্রেস করুন।

মূল্যায়ন ও এর প্রকারভেদ সম্পর্কে জানতে এই লিংকে প্রেস করুন।

9Aug2021

Formative Evaluation

ধারাবাহিক বা গাঠনিক মূল্যায়ন

গাঠনিক মূল্যায়ন ধারাবাহিক মূল্যায়ন নামেও পরিচিত৷ শিখন শেখানো চলাকালে যে মূল্যায়ন করা হয় তাকে ধারাবাহিক বা গাঠনিক মূল্যায়ন বলে৷ অন্যকথায় প্রতিদিনের প্রতি পিরিয়ডের পাঠ মূল্যায়নই হল গাঠনিক মূল্যায়ন৷ গাঠনিক বা ধারাবাহিক মূল্যায়ন শিখন শেখানো কার্যক্রমের অবিচ্ছেদ্য অংশ; ধারাবাহিক মূল্যায়নের সাহায্যে যোগ্যতা অর্জন নিশ্চিতকরণ সহজ হয়৷ শিখনফল অনুযায়ী বিষয়বস্তু উস্থাপন করা হয় এবং শিখন শেখানো কার্যক্রম পরিচালনা কার্যে মূল্যায়নের মাধ্যমে শিক্ষার্থীর অর্জনের অগ্রগতি নির্ধারণ করা যায়৷ অপেক্ষাকৃত দুর্বল শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি দূর করার জন্য প্রযোজ্য নিরাময়মূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়৷

ধারাবাহিক বা গাঠনিক মূল্যায়নের উদ্দেশ্য

  • পাঠের বিষয়বস্তু সম্পর্কিত শিখনফল শিক্ষার্থীরা অর্জন করতে পেরেছে কিনা তা যাচাই করা৷
  • কোন শিক্ষার্থী শিখনফল অর্জন করতে না পারলে তার কারণ অনুসন্ধান করা।
  • শিখন ব্যর্থতার কারণ জেনে সে সম্পর্কে নিরাময়মূলক ব্যবস্থা করা।
  • শিক্ষকের নিজের কাজের মূল্যায়ন করা৷
  • পুনরায় মূল্যায়ন করে শিশুর পুরোপুরি শিখন নিশ্চিত করা৷

ধারাবাহিক মূল্যায়নের সময়

ধারাবাহিক মূল্যায়ন প্রতিদিন প্রতি পাঠে করা হয়৷ প্রতি পাঠে মূল্যায়নের যে সময় তা হলো-

পাঠের শুরুতে:

  • স্বল্প পরিসরে প্রশ্ন ও উত্তরের মাধ্যমে পাঠের পূর্বজ্ঞান যাচাই করেন।
  • পাঠের শুরুতে ছবি দেখতে দিয়ে ছবিতে কী কী আছে বলে মূল্যায়ন করা যায়৷

পাঠের মাঝে:

  • পাঠের একটি ধাপ শেষ করে ছোট ছোট প্রশ্নের মাধ্যমে মূল্যায়ন করা যায়৷
  • প্রশ্ন করতে দিয়ে ও প্রশ্নের উত্তরদানের মাধ্যমে মূল্যায়ন করা যায়৷

পাঠের শেষে:

  • পাঠের সবকয়টি ধাপের বিস্তৃত মূল্যায়ন করা হয়৷
  • সাধারণত প্রশ্নের উত্তরের পরিসর একটু বড় হয়৷

গাঠনিক বা ধারাবাহিক মূল্যায়নের কৌশল

ধারবাহিক বা গাঠনিক মূল্যায়নের ক্ষেত্রে বিশেষ কতকগুলো কৌশল ব্যবহার করতে হয়। সেক্ষেত্রে বিষয়বস্তুর ধরণ অনুসারে কৌশল ও কাজের কিছু পার্থক্য থাকতে পারে। নিম্নে ধারাবাহিক মূল্যায়নের কৌশল বর্ণনা করা হলো:

কৌশলকাজ (উদাহরণ)
১. পর্যবেক্ষণবস্তু দেখা, ছবি দেখা, অক্ষর সাজিয়ে শব্দ তৈরি পরিশেষে বিভিন্ন উপাদান শ্রেণিকরণ, সক্রিয়তা৷
২. মৌখিক উত্তর বলাসংখ্যা বলতে দেওয়া, একত্রে কয়টি হয় বলতে দেওয়া, বর্ণ, শব্দ ও বাক্য পড়তে দেওয়া, ছোট প্রশ্নের উত্তর বলা (গাছের কয়টি অংশ)৷
৩. লিখতে দিয়েগুণ করা, ভাগ করা, শব্দ দিয়ে বাক্যগঠন, শূণ্যস্থান পূরণ, বর্ণ, শব্দ ও বাক্য লেখা৷
৪. কাজ করতে দিয়েবস্তু দলে সাজানো, জ্যামিতি চিত্র আঁকা, কাগজ ও মাটি দিয়ে বিভিন্ন তৈরি, আকৃতি করতে দিয়ে৷
৫. দলগত মূল্যায়নদলে কাজ দিয়ে, অন্যদলের সাথে কাজ মূলায়ন বিনিময় করে৷

একটি পাঠে যে শিখনফল থাকে তা অর্জন করার জন্য শিক্ষক শিখন শেখানো কার্যক্রম পরিচালনা করেন৷ শিক্ষক যদি ধারাবাহিক মূল্যায়নের মাধ্যমে দেখেন যে কোন শিশু সংশ্লিষ্ট শিখনফলসমূহ সর্ম্পূণ অথবা আংশিকভাবে অর্জন করতে পারেনি তখন তিনি ঐ শিখনফল অর্জনের জন্য বা শিক্ষার্থীর ঘাটতি পূরণের জন্য যে ব্যবস্থা নেন তাকে নিরাময়মূলক ব্যবস্থা বলে৷

গাঠনিক মূল্যায়নের উপকরণ

  • শ্রেণীর কাজ ;
  • ব্যবহারিক কাজ ;
  • শ্রেণীকক্ষে মৌখিক প্রশ্ন ;
  • শ্রেণীর পরীক্ষা ;
  • টার্ম পেপার ;
  • চেক লিস্ট ;
  • সাপ্তাহিক পরীক্ষা ;
  • ত্রৈমাসিক পরীক্ষা ;
  • অ্যাসাইনমেন্ট ;
  • বিতর্ক ও আলোচনা সভা ইত্যাদি।

নিরাময়মূলক ব্যবস্থার জন্য অনুসরণযোগ্য কৌশল:

নিরাময়ে সহায়তা দানকারীকখন ও কোথায়কীভাবে
শিক্ষক নিজেপাঠ চলাকালে শ্রেণিকক্ষেযখন শিক্ষার্থী শিখনফল অর্জন করতে পারছে না, তাত্ক্ষণিকভাবে তিনি সহায়তা দেবেন৷ সামান্য ইঙ্গিত দিয়ে ভুলের জায়গাটি ধরিয়ে দিয়ে বার বার অনুশীলন করতে দিয়ে  শ্রেণির বেশিরভাগ শিক্ষার্থী ব্যর্থ হলে বিষয়বস্তু পুনরায় উপস্থাপন করে৷
পারগ শিশুপাঠ চলাকালে শ্রেণিকক্ষেএকজন পারগ শিশুর পাশে একজন দুর্বল শিশুকে বসিয়ে তাকে সহায়তার জন্য পারগ শিশুকে উদ্বুদ্ধ করে৷ যাদের মূল্যায়ন হয়ে গেছে তাদের দিয়ে কয়েকজন দুর্বল শিশুকে সহায়তা দেওয়ার ব্যবস্থা করে৷ দলগত কাজ করার সময় দলের সকল সদস্যকে একই পর্যায়ে আনার অনুপ্রেরণা দিয়ে৷
শিক্ষিত মা/বাবা/অভিভাবকবাড়িতেএলাকায় শিক্ষিত অভিভাবককে নিজের ছেলে/মেয়েরে শিখন ঘাটতি পূরণ করার জন্য অনুরোধ করে৷
শিক্ষক/প্রধান শিক্ষক শ্রেণিকক্ষে ছুটির পরে/পরের দিন স্কুল শুরুর আগেছুটির পরে যে কয়জন দুর্বল শিক্ষার্থী থাকে তাদের নিয়ে বিশেষ নিরাময়ের ব্যবস্থা করে৷ বিদ্যালয়ের নিয়মিত কাজ শুরুর আগে এ কাজটি করে৷ প্রতিটি ক্ষেত্রেই নিরাময়মূলক ব্যবস্থার পরে পুনরায় মূল্যায়ন করে শিক্ষার্থীদের শিখনফল অর্জন নিশ্চিত করে৷
9Aug2021

Teaching methods and techniques according to the content of the Religious & Moral Education, Physical Education, Music and Art & Craft

ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা, শারীরিক শিক্ষা, সংগীত, চারু ও কারুকলা বিষয়ের শিখন শেখানো কার্যক্রম

ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষার শিখন শেখানো পদ্ধতি ও কৌশল 

একজন শিশুর ব্যাক্তিত্ববান, মূল্যবোধ সম্পন্ন, নৈতিক ও সৎ চরিত্রের অধিকারি হওয়ার জন্য ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষার জ্ঞান থাকা প্রয়োজন৷ শিশুর নান্দনিকতা সৃজনশীল প্রতিভা বৃদ্ধি করার জন্য শারীরিক শিক্ষা, চারু ও কারুকলা এবং সঙ্গীত বিষয়াবলী প্রাথমিক স্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে৷ এগুলোর শিখন শেখানো পদ্ধতি ও কৌশল এবং উপস্থাপনের ধরণ ভিন্ন। একজন নব নিযুক্ত শিক্ষকের জন্য এই আবশ্যিক বিষয়গুলোর শিখন শেখানো পদ্ধতি ও কৌশল জানা একান্ত প্রয়োজন।

“শিক্ষককে সম্মান করা,” হিন্দু ধর্মের “গুরুজনের উপদেশের প্রতি শ্রদ্ধা” খ্রিষ্ট ধর্মের “শিক্ষকদের নির্দেশ পালন”, বৌদ্ধ ধর্মের “গুরুজনের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ” সম্পর্কিত বিষয়বস্তু ইত্যাদি সম্পর্কে শিক্ষকদের সম্যক ধারণা রাখা অত্যন্ত প্রয়োজন৷

একটি শিশুর নৈতিক, আধ্যাত্নিক বিকাশ সাধনের জন্য সত্চরিত্রবান হওয়ার জন্য বিপদগামী হওয়া থেকে রক্ষা করার জন্য প্রাথমিক স্তরে ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা বিষয়টি আবশ্যিক ভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। দেশের চারটি প্রধান ধর্মের পাঠ্যপুস্তকের বিষয়বস্তু তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক। তাই আলোচনা, প্রশ্নোত্তর, গল্প বলা, প্রদর্শন পদ্ধতি প্রভৃতি ব্যবহার করে শিখন শেখানো কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।

শারীরিক শিক্ষার শিখন শেখানো পদ্ধতি ও কৌশল                          

প্রাচীনকালে শারীরিক শিক্ষার শুধু ‘দৈহিক উন্নতি’ বা শক্তিশালী মাংসেশী তৈরি, দৃঢ় অঙ্গ প্রতঙ্গ গঠন ইত্যাদি ছিল শারীরিক শিক্ষার মূল লক্ষ্য। কিন্তু বর্তমানে দৈহিক, মানসিক, সামাজিক, নৈতিক ও আধ্যাত্মিক উন্নতির প্রতি শারীরিক শিক্ষার লক্ষ্য কেন্দ্রিভূত হয়েছে।” বিষয়টি অংশগ্রহণকারীদের সামনে উপস্থাপনের মাধ্যমে আলোচনা করে তাদেরকে এ বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণ করুন।

স্বাস্থ্যকর জীবন যাপনের জন্য পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা, বিভিন্ন খেলাধুলা ও ব্যায়ামের নিয়মাবলি, শৃখলাবোধ, একাত্মবোধ, নেতৃত্ব, পরিমিত ঘুম ও সুষম খাদ্য গ্রহণ, দুর্ঘটনা এড়াতে বিভিন্ন সতর্কতা, প্রাথমিক চিকিত্সা প্রভৃতি বিষয় শারীরিক শিক্ষার বিষয়বস্তু হিসেবে প্রাথমিক স্তরে গ্রহণ করা হয়েছে।

কোমলমতি শিশুর দৈহিক, মানসিক, সামাজিক, নৈতিক ও আধ্যাত্মিক প্রতিভার বিকাশ সাধনের জন্য প্রাথমিক স্তরে শারীরিক শিক্ষা  বিষয়কে আবশ্যিক বিষয় হিসেবে রাখা হয়েছে।  দৈহিক, মানসিক, সামাজিক, নৈতিক ও আধ্যাত্মিক উন্নতি শারীরিক শিক্ষার অন্যতম লক্ষ্য।

শারীরিক শিক্ষার বেশির ভাগ কাজই ব্যবহারিক৷ শারীরিক শিক্ষার শিখন শেখানো পদ্ধতি বা কৌশল হিসেবে প্রদর্শন, দলে অনুকরণ/অনুসরণ, জোড়ায় জোড়ায় কাজ, একক কাজ প্রভৃতি অনুসরণ করলে শিখন তুলনামূলক স্থায়ী হয়।

চারু ও কারুকলার শিখন শেখানো পদ্ধতি ও কৌশল          

কোমলমতি শিশুর নান্দনিক ও সৃজনশীল প্রতিভার বিকাশ সাধনের জন্য প্রাথমিক স্তরে চারু ও কারুকলা   বিষয়কে আবশ্যিক বিষয় হিসেবে রাখা হয়েছে৷ ছবি আঁকার সময় পর্যবেক্ষণ করে ছবি আঁকা, বাস্তব মডেলের অনুরূপ অঙ্কন করা প্রভৃতি বিষয়ের ওপর শিক্ষার্থীদের মনোযোগ আকর্ষণ খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

যে শিল্প মানসিক চাহিদা মেটায় তাই চার“কলা৷ চার“কলা যেমন মনকে সৌন্দর্যরসে সিক্ত করে, কারুকলাও তেমনি চারুকলার সংষ্পর্শে আরো আকর্ষণীয় হয়ে মানুষের প্রয়োজন মিটায়৷ চারু ও কারুকলা দৈহিক এবং ব্যবহারিক চাহিদা মেটায়। যেকোন বাস্তব জিনিস ত্রিমাত্রিকভাবে (দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও উচ্চতা) অবস্থান করে, কিন্তু অঙ্কনের সময় প্রথম ২টি মাত্রা ব্যবহার করে ছবি অঙ্কন করতে হয়। ছবি আঁকার ৭টি ব্যবহারিক দিক রয়েছে এ ৭টি কৌশল অবলম্বন করে ছবি আঁকলে ছবিটি হয়ে উঠবে জীবন্ত। সেগুলো হলো:,

১) পরিপ্রেক্ষিত,

২) আলোছায়া,

৩) অনুপাত,

৪) কেন্দ্রীয় আকর্ষণ,

৫) সমতা,

৬) ভারসাম্য,

৭) গঠন ও রচনা।

সংগীত এর শিখন শেখানো পদ্ধতি ও কৌশল                         

শিশুমন কোমল ও সুর পিয়াসী৷ সঙ্গীতের সুর শিশুমনকে বিশেষভাবে আকর্ষণ করে৷ সঙ্গীতের অনুশীলনের মাধ্যমে শিশুর সুকুমার শিল্প মানসিকতা গড়ে তোলা, সৌন্দর্যবোধ জাগ্রত করা ও নির্মল আনন্দদানের সাথে সাথে দেশীয় সংস্কৃতি সম্পর্কে জানা এবং দেশপ্রেম জাগ্রত করার অপার সম্ভাবনাময় দিকটির গুরত্ব অনুধাবন করে সর্বজনীন প্রাথমিক শিক্ষার পটভূমিতে যোগ্যতাভিত্তিক শিক্ষাক্রম প্রণয়নকালে সংগীতকে একটি বিষয় হিসেবে রাখা হয়েছে৷

সঙ্গীতের নির্ধারিত শিখনফল অর্জনের জন্য নিম্নলিখিত শিখন-শেখানো পদ্ধতি ও কৌশলগুলো নিম্নরূপ:

  • শুদ্ধ উচ্চারণের মাধ্যমে গানের নির্ধারিত অংশগুলো আবৃতি করা;
  • গানের নির্ধারিত অংশগুলো শিশুদের দিয়ে বোর্ডে খাতায় লেখানো;
  • গানের নির্ধারিত অংশগুলো প্রথমে শিক্ষকের নিজে গাওয়া;
  • শিক্ষার্থীরা সমবেতভাবে শিক্ষকের সাথে গাওয়া;
  • অবশেষে তারা দলগতভাবে, পরে এককভাবে গাইবে;
  •  ক্ষেত্রবিশেষে রেকর্ডকৃত গানের ক্যাসেট ব্যবহার করা;
  • জাতীয় সঙ্গীতের সময় যথাযথ শ্রদ্ধা প্রদর্শনের জন্য সচেতন থাকা, ইত্যাদি।
  • শিশুমন কোমল ও সুর পিয়াসী৷ সঙ্গীতের সুর শিশুমনকে বিশেষভাবে আকর্ষণ করে। সঙ্গীত শিশুর মধ্যে শিল্প মানসিকতা গড়ে তোলে এবং তার মধ্যে আনন্দবোধ জাগ্রত করে।
  • সঙ্গীতের শিখন শেখানো পদ্ধতি ও কৌশল হিসেবে প্রথমে সম্মিলিত, পরে ছোট ছোট দলে এবং তারপর এককভাবে গানের অনুশীলন করাতে হবে।
6Aug2021

Selection of teaching methods and techniques according to the content of the primary science subject

প্রাথমিক বিজ্ঞান বিষয়ের বিষয়বস্তু অনুসারে শিখন শেখানো পদ্ধতি ও কৌশল নির্বাচন

পাঠ্যবইয়ের কোনো বিষয়বস্তু উপস্থাপনের জন্য যেকোনো একটি পদ্ধতি বা কৌশল স্বয়ং সম্পূর্ণ নয়৷ শিক্ষক একাধিক পদ্ধতি বা কৌশলকে সমন্বয় করে পাঠদান করলে তা শিশুর জন্য উপযোগী এবং ফলপ্রসূ হবে।

শ্রেণিবিষয়বস্তুপদ্ধতি ও কৌশল
৪র্থবায়ু আমাদের কেন প্রয়োজন?পরীক্ষণ পদ্ধতি, প্রদর্শন পদ্ধতি, আলোচনা পদ্ধতি, প্রশ্নোত্তর পদ্ধতি, বর্ণনামূলক বা বক্তৃতা পদ্ধতি এবংজোড়ায় বাদলগত শিখন ইত্যাদি৷)
৩য়তাপশক্তিপর্যবেক্ষণ পদ্ধতি, পরীক্ষণ পদ্ধতি, প্রদর্শন পদ্ধতি, আলোচনা পদ্ধতি, প্রশ্নোত্তর পদ্ধতি, বর্ণনামূলক বা বক্তৃতা পদ্ধতি এবং VIPP জোড়ায় বা দলগত শিখন ইত্যাদি৷
৫মবায়ু কি জায়গা দখল করেপর্যবেক্ষণ পদ্ধতি, প্রদর্শন পদ্ধতি, আবিষ্কার পদ্ধতি, আলোচনা পদ্ধতি, প্রশ্নোত্তর পদ্ধতি, বর্ণনামূলক বা বক্তৃতা পদ্ধতি এবং জোড়ায় বা দলগত শিখন ইত্যাদি৷
৪র্থতাপ সঞ্চালনের পদ্ধতিপরীক্ষণ পদ্ধতি, প্রদর্শন পদ্ধতি, আলোচনা পদ্ধতি, প্রশ্নোত্তর পদ্ধতি, বর্ণনামূলক বা বক্তৃতা পদ্ধতি এবং VIPP জোড়ায় বা দলগত শিখন ইত্যাদি৷
৪র্থবাসস্থানে প্রযুক্তিপর্যবেক্ষণ পদ্ধতি, প্রদর্শন পদ্ধতি, আলোচনা পদ্ধতি, প্রশ্নোত্তর পদ্ধতি, বর্ণনামূলক বা বক্তৃতা পদ্ধতি এবং VIPP জোড়ায় বা দলগত শিখন ইত্যাদি৷)
৫ম সৌরশক্তির ব্যবহারপর্যবেক্ষণ পদ্ধতি, প্রদর্শন পদ্ধতি, আলোচনা পদ্ধতি, প্রশ্নোত্তর পদ্ধতি, বর্ণনামূলক বা বক্তৃতা পদ্ধতি এবং VIPP Method, অভিনয় কৌশল (Role Play), জোড়ায় বা দলগত শিখন ইত্যাদি।)

6Aug2021

Observation and review of Bangladesh & Global Studies subject teaching and learning activities

বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ের শিখন শেখানো কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ ও পর্যালোচনা

প্রত্যেক শিশুর চারপাশে রয়েছে সামাজিক ও প্রাকৃতিক পরিবেশ। এই পরিবেশ থেকে শিশু নিত্য নৈমিত্তিক জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করছে৷ শিক্ষার্থীদের জ্ঞানের জগতের সাথে যোগাযোগ ঘটানো বা তাদের আচরণের পরিবর্তন আনতে হলে শিক্ষককে পরিকল্পিতভাবে নানা ধরনের শিখন শেখানো পদ্ধতি ও কলাকৌশল প্রয়োগ করতে হয়৷ শিক্ষার্থীদের মানসিক যোগ্যতা ও গ্রহণ ক্ষমতা অনুযায়ী তাকে কীভাবে শিক্ষাদান করতে হবে তার শিখন অনেকাংশে নির্ভর করে শিক্ষকের ওপর৷ বিষয়বস্তু যতই গুরুত্বপূর্ণ বা আকর্ষণীয় হোক না কেন তা শিক্ষার্থীদের নিকট আকর্ষণীয় বা সহজবোধ্য মনে হবে না যদি তা সঠিকভাবে উপস্থাপিত না হয়৷ তাই শিক্ষক এবং তার শিখন শেখানো কার্যক্রম পরিচালনা পদ্ধতি ও ব্যবহৃত কৌশল অতি গুরুত্বপূর্ণ৷

বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় একটি বহুমাত্রিক বিষয়ের সমন্বিত রূপ। এ বিষয়ের শিখন শেখানো কার্যক্রম পরিচালনা তাই বহুমাত্রিক শিখন শেখানো পদ্ধতি ও কৌশল প্রয়োগ করতে হয়। এ কারণেই এ বিষয়ের পাঠ উপস্থাপনকালে পদ্ধতি ও কৌশল নির্বাচনের ক্ষেত্রে সর্তক প্রয়াস গ্রহণ করতে হয়। একটি পাঠে কখনও একাধিক পদ্ধতি ও কৌশল অনুসরণ করতে হয়। গল্প বলা, আলোচনা, প্রশ্নোত্তর, বর্ণনা, পর্যবেক্ষণ, অনুসন্ধান, প্রদর্শন ইত্যাদি সবই বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় শিখন শিক্ষাদান পদ্ধতি। উদাহরণস্বরূপ: তৃতীয় শ্রেণির আমাদের পরিবেশ ও সমাজ শীর্ষক পাঠে, পর্যবেক্ষণ আলোচনা ও প্রশ্নোত্তর পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। তাছাড়া এ পাঠে জুটিতে কাজ, ছোটদলে কাজ, প্রতিবেদন তৈরি, শ্রেণিকরণ ও ব্যাখ্যাকরণ কৌশল ও ব্যবহার করা হয়। উপর্যুক্ত শিখন শেখানো পদ্ধতি ও কৌশল ব্যতিত বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ের শিখন শেখানো কখনও ফলপ্রসূ ও প্রাণবন্ত হয় না। এ  অধিবেশনে তাই এ সকল পদ্ধতি ও কৌশল ব্যবহার করে কীভাবে শ্রেণিকক্ষে বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ের শিখন শেখানো কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারেন তা তুলে ধরা হয়েছে।

শিখন শেখানো পদ্ধতি ও কৌশল (বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়)

শ্রেণি: তৃতীয়, পাঠ: আমাদের সমাজ ও পরিবেশ, পাঠ্যাংশ: সামাজিক ও প্রাকৃতিক পরিবেশ

শিখনফলশিখন শেখানো কার্যাবলিশিক্ষণ পদ্ধতি বা কৌশল
১. নিজ এলাকায় পরিবেশ পর্যবেক্ষণ করে উপাদান
শনাক্ত করে তালিকা তৈরি করতে পারবে৷
১. আমাদের চারপাশে কী কী জিনিস আছে সে বিষয় চিন্তাকরতে বলুন
এবং সেক্ষেত্রে কী পদ্ধতি অবলম্বন করা যায় তা শুনুন
ও প্রয়োজনীয় সহায়তা দিন ৷
-একাকী চিন্তা
-জুটিতে আলাপ
-প্রশ্নোত্তর
-ছোটদলে কাজ
-পর্যবেক্ষণ
২. শিক্ষার্থীগণ পরিবেশের সামাজিক উপাদন ও
প্রাকৃতিক পরিবেশের উপাদানের শ্রেণিকরণ করতে পারবে৷
২. শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষের বাইরে চারদিকের পরিবেশ
পর্যবেক্ষণ করে বিভিন্ন উপাদানের তালিকা তৈরি
করতে বলুন (এ্যাসাইনমেন্ট)৷
-তালিকা প্রণয়ন
-শ্রেণীকরণ
-দলীয় আলোচনা

6Aug2021

Observation and review of English subject teaching and learning activities

ইংরেজি বিষয়ের শিখন শেখানো কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ ও পর্যালোচনা

যে কোন ভাষা শিখন শেখানোর জন্য ৪টি দক্ষতা আছে৷ এ চারটি দক্ষতা অর্জন করতে পারলে ভাষা শিখন হয়৷ প্রকৃতপক্ষে ভাষা ব্যবহার করে ভাষা শিখনই হচ্ছে সবচেয়ে ফলপ্রসূ৷ মাতৃভাষা শিখন শেখানোর জন্য যে সকল পদ্ধতি রয়েছে ইংরেজি ভাষা শিখনের জন্য একই ধরনের হলেও বিদেশী ভাষা হিসেবে ইংরেজি শিখন শেখানোর ক্ষেত্রে একটু ভিন্ন ধরনের পদ্ধতি ও কৌশল প্রয়োগ করতে হয়৷ আমাদের দেশে তাই প্রাথমিক স্তরে ইংরেজি বিষয় শেখার জন্য IPT ভিত্তিক কৌশল চালু রয়েছে৷ IPT হল Input, Practice ও Task. শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের যে তথ্য/বার্তা বা ধারণা প্রদান করেন তাই হল Input আবার Input এর যেসব activity শিক্ষার্থীদের দ্বারা অনুশীলন করতে দেওয়া হয়, তাহল Practice অপরদিকে Task হলো শিক্ষক কর্তৃক প্রদানকৃত ধারণা ও তথ্যকে ব্যবহার করে অতিরিক্ত activity করানো৷এ অধিবেশনে IPT ভিত্তিকশিখন শেখানোর প্রক্রিয়ার ওপর আলোচনা করা হয়েছে৷

IPT কী?

Input হলো শিক্ষক কর্তৃক শ্রেণিতে প্রদত্ত তথ্য। ইহা লিখিত হতে পারে আবার মৌখিকও হতে পারে৷  Text unit of a lesson হলো লিখিত তথ্য অপরদিকে  Rhymes, Songs, a story, a dialogue  ইত্যাদি হল মৌখিক তথ্য। Input শিখনফল বা Learning outcomes  এর সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত৷ শিক্ষক কর্তৃক যে কোন ধারণাই Input হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে৷ Input এরপরে Practice এর জন্য যে কার্যক্রম পরিচালনা করা হয় তা Input  কে কেন্দ্র করেই। সুতরাং Input হলো ঐ সব বিষযবস্তু যা থেকে শিক্ষার্থীরা তথ্য বা Concept পেয়ে থাকে। Input সাধারণত উপস্থাপন পর্যায়ে সম্পন্ন হয়৷

Practice কী?

Input এর উপর ভিত্তিকরে শিক্ষার্থী শিক্ষক কিংবা অন্য কোন শিক্ষার্থীর সহায়তায় যেসব Activity সম্পাদন করে তাই হল Practice. বিষয়বস্তুর উপর পূর্ণাঙ্গ ধারণা অর্জন Practice কার্যক্রম দ্বারা সম্পন্ন হয়৷ Practice এর Activity পাঠ্যপুস্তক থেকে পাওয়া যায়। আবার শিক্ষকও দিতে পারেন। পাঠ্যপুস্তকে যে Look and Say, Listen and do, Gap filling, questions and answers, chaindrill রয়েছে এসবই Practice Activities এর উদাহরণ৷ কখনও কখনও শিক্ষক যদি মনে করেন শিক্ষার্থীরা Input আরও ভালো ভাবে আয়ত্ত করতে পারেনি তখন Input ও Practice Activity হতে পারে।

Task কী?

Practice এর অতিরিক্ত Activity হল Task.  শেখা ভাষা ব্যবহার করে নতুন কিছু উদ্ভাবন করে বলতে পারাই হচ্ছে Task Activity. Task হুবহু Input কিংবা Practice নির্ভর নয়৷ Task এর ৪টি বৈশিষ্ট্য থাকে৷ এগুলো হলো Creative, interactive, Communicative and Personalised. একজনশিক্ষার্থী একটি Task কীভাবে সম্পন্ন করল তা থেকেই শিক্ষক বুঝতে পারেন উক্ত শিক্ষার্থী পাঠটি কতটুকু আয়ত্ত করতে পেরেছে। নিচের শ্রেণিতে পাঠ Task এর ব্যবহার একটু কঠিন। তাই নিচের শ্রেণিতে Task এর পরিবর্তে Task type activity ব্যবহার করা হয়৷ একে checking learning বলে।

Teaching Learning Techniques (English)

Class-I, Lesson: Simple Commands-1

Learning outcomes:

The students will be able to carryout-

Simple commands – Stand up and Sit down

StepsTeaching learning activitiesTechniques
InputCommand self-Stand up and use gesture.Give command to SsGive command to one ST> Self WCW T>Ss WcW T>S WcW
PracticeAsk one S to give Command to teacher.Ask  Ss to give command to the class in small group Ask giving and carrying out commands in pairS>T WcW S>Ss S4W S>S WcW
Checking learning (Task)Ask to Listen and Do in small groupAsk to give and Carry out Command (Listen do) is pair.S1>Ss S4W S> S

Class- Two: Lesson- what is this? This is a …………

Learning outcomes:

The learners will be able to ask and answer simple question –

  • What is this
  • This is ………….
StepsTeaching learning activitiesTechniques
Input1.1. Ask students (showing ) Pictures for table, chair) what is this? 1.2. Ask a student (showing) picture what is this? 1.3. Allow student to ask teacher-  what is this?T>Ss WCW T>S WcW S>T WcW
PracticeAllow`s’ to ask a small group- what is this? 2.2. Allow ask and answer in pairs what is this?S>Ss S4W   S.S
Checking learning (Task)3.1. Allow `Ss’ to perform chaindrill by using question what is this?S1>S2> S3  
S6< S5<S4

N.B.

  • T> teacher:
  • S> Student Ss> Students,
  • S1 One Student,
  • S2> Another student,
  • WCW> Whole class Works,
  • SGW> Small group works
  • PW>Pair Work,
  • IW> Individual Work.

Load More
Comments (1)

একজন আয়ার দ্বায়িত্ব ও কর্তব্য কি??

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!