বিজ্ঞান পাঠ পরিকল্পনা প্রণয়ণ - Proshikkhon

বিজ্ঞান পাঠ পরিকল্পনা প্রণয়ণ

Lesson Planning for Elementary Science

বিজ্ঞান পাঠ পরিকল্পনা প্রণয়ণ

পাঠ পরিকল্পনা

পাঠ পরিকল্পনা হচ্ছে পাঠের জন্য সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা যা শিক্ষক শ্রেণি পাঠদানের পূর্বেই করে থাকেন। এক কথায় বলা যায় পাঠের জন্য পূর্বনির্ধারিত যে পরিকল্পনা সেটাই হচ্ছে পাঠপরিকল্পনা ।

শিক্ষার্থীর শিখন ব্যবস্থাপনার জন্য শিক্ষকের নিকট এটি একটি গাইড / roadmap হিসেবে কাজ করে ।  পাঠপরিকল্পনা প্রনয়নের  সময় শিক্ষককে শিক্ষাক্রম, পাঠের বিষয়বস্তু, পাঠের শিখনফল, উপকরণ ,পদ্ধতি/কৌশল, সময়,শিক্ষার্থীদের পারগতা, কোন শ্রেণিতে পাঠ প্রদান করা হবে ইত্যাদি বিষয়ের দিকে খেয়াল রাখতে হয়। একটি ভাল পাঠপরিকল্পনায় শিক্ষার্থীদের চাহিদা এবং অংশগ্রহণের প্রতিচ্ছবি থাকে । এছাড়াও শিক্ষকের শিক্ষাদর্শনের প্রকাশ হয় পাঠপরিকল্পনার মাধ্যমে অর্থাৎ শিক্ষার্থীর শিখন নিশ্চিত করার জন্য শিক্ষকের ভাবনা কী তার প্রতিফলন ঘটে পাঠপরিকল্পনায়। সুতরvs শ্রেণিপাঠদানের ক্ষেত্রে  শিখন-শেখানো কার্যাবলি পরিচালনার জন্য  পাঠপরিকল্পনা একটি অপরিহার্য উপাদান ।

পাঠ পরিকল্পনার ছক

শ্রেণিঃ                                                                 বিষয়:

পাঠের শিরোনামঃ

পাঠের অংশঃ

শিখনফলঃ

  •  
  •  

উপকরণঃ

 শ্রেণি কার্যক্রমের সূচনা /প্রস্তুতিঃ

১।

২।

উপস্থাপন/শিখন-শেখানো কার্যাবলিঃ

১।

২।

৩।

৪।

৫।

মূল্যায়নঃ 

পাঠ পরিকল্পনার ধাপসমূহ

১। শ্রেণি কার্যক্রমের সূচনা /প্রস্তুতি/নিরাপদ পরিবেশ সৃষ্টি ও আবেগ সৃষ্টিঃ  শিশুকে শারীরিক ও মানসিকভাবে  পাঠের উপযোগী করতে কিংবা পাঠের উপযোগী পরিবেশ তৈরি করতে  পাঠের শুরুতে আমরা নানা ধরণের কৌশল ব্যবহার করে থাকি ।

কুশল বিনিময় ও ব্যক্তিগত খোজ খবর নেয়ার মাধ্যমে আমরা শ্রেণিকক্ষে নিরাপদ পরিবেশ সৃষ্টি করে থাকি। এ ছাড়া পাঠ সংশ্লিষ্ট গল্প ,ছড়া ,কবিতা ,গান কৌতুক,ধাঁধা,খেলা ,ইত্যাদির মাধ্যমে আবেগ সৃষ্টি করতে পারি। 

শিখন শেখানোর কাজের মধ্যেই নিরাপদ পরিবেশ সৃষ্টি ও আবেগ সৃষ্টির কাজটি করতে পারি তাহলে পাঠটি খুবই আনন্দদায়ক হবে । শ্রেণিকার্যের পরিচয় উপস্থাপন করাতে গিয়ে  নিম্নোক্ত বিষয় সমূহের দিকে মনোযোগ দেয়া যেতে পারে ।

  • বিষয়বস্তুকে শিক্ষার্থীর ব্যক্তিগত কোন অভিজ্ঞতার সাথে মিল করে দেখানো
  • আগ্রহ উদ্দীপক/প্ররোচনামূলক প্রশ্ন করা
  •  আগ্রহ উদ্দীপক কোন কিছু প্রদর্শন করা 

২। উপস্থাপন/শিখন-শেখানো কার্যবলিঃ এ ধাপটিই মূলত সক্রিয় কার্যসম্পাদনের মূল প্রক্রিয়া । পাঠের জন্য বরাদ্দের মূল সময়টা এখানেই ব্যবহৃত হয়। এ পর্বের শুরুটা হতে পারে শিক্ষার্থীদের  বিদ্যমান  জ্ঞান যাচাইয়ের মাধ্যমে । একটি পাঠ উপস্থাপনের  জন্য শিখন-শেখানো কার্যাবলিতে অনেকগুলো ধাপের প্রয়োজন হতে পারে । তবে প্রতিটি ধাপ হতে হবে পরিকল্পিত  এবং একটির সাথে আরেকটির সংযোগ থাকতে হবে যাতে শিখন-শেখানো প্রক্রিয়ায় একটি বৃহৎ ফ্লো (Flow) সৃষ্টি হয় । ধাপগুলো সেট করার সময়  নিম্নলিখিত বিষয়গুলোর দিকে খেয়াল রাখতে  হবেঃ

  • কোন ধাপ দ্বারা কোন শিখনফল অর্জন হবে ।
  • প্রতিটি ধাপে  কী কী শিখন-শেখানো কৌশল ব্যবহার করা হবে ।
  • কতটুকু সময় কোন ধাপের  জন্য থাকবে ।

৩। মূল্যায়নঃ  মুল্যায়ন শিখন-শেখানো প্রক্রিয়ার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ । তাই  পাঠপরিকল্পনায় এ ধাপটি যথেষ্ট গুরুত্ব বহন করে । এ ধাপের মাধ্যমে শিক্ষক বুঝতে পারবেন তিনি কতটা সফল ভাবে শিখন-শেখানো প্রক্রিয়া পরিচালনা করতে পেরেছেন ,পাঠের বিষয়ে শিক্ষার্থীদের কাঙ্ক্ষিত শিখনফল  কতটুকু  অর্জিত হয়েছে , ফলাবর্তনের প্রয়োজন আছে কিনা ।

উপর্যুক্ত তিনটি ধাপের ফলপ্রসু প্রয়োগের মাধ্যমে একটি শ্রেণিপাঠদান কার্যক্রম সফলভাবে  সম্পাদন করা যায় ।

নমুনা পাঠ পরিকল্পনা-১

শ্রেণিঃ তৃতীয়                              বিষয়: প্রাথমিক বিজ্ঞান                    তারিখ: ………………….

পাঠঃ  জড় ও জীব

শিখনফলঃ       

  •  জীব ও জড় বস্তুর বৈশিষ্ট্য লিখতে পারবে ।
  • জড় ও জীবের  পার্থক্য উল্লেখ করতে পারবে।

উপকরণঃ নানা প্রকার জীব ও জড়বস্তর কার্ড, একটি পুতুল।

শ্রেণিকার্যক্রমের  সূচনাঃ

১।   শ্রেণিকক্ষে শিখন উপযোগী পরিবেশ তৈরি করুন| (কুশল বিনিময়ের মাধ্যমে)

২।   শিক্ষার্থীদের  মধ্যে ইতিবাচক আবেগ তৈরি করুনঃ পাঠ সংশ্লিষ্ট  ছবি প্রদর্শনের মাধ্যমে  ।

শিখন-শেখানো কার্যাবলি:

১।      পূর্বজ্ঞান যাচাইঃ  পূর্বপাঠ “আমাদের পরিবেশ” পুনরালোচনা  করুন এবং শিক্ষার্থীদেরকে পরিবেশের কিছু উপাদান উল্লেখ করতে বলবো।

  • কেউ  কি বলতে পার পরিবেশের উপাদান  কী কী ?
  • কে বলতে পার আমাদের চারপাশে কী কী জিনিস আছে ?
  • তারা যাই উল্লেখ করুক না কেন বোর্ডে লিপিবদ্ধ করুন ।

২।     শিক্ষার্থীদের দলে ভাগ করে বোর্ডের লেখা তালিকা থেকে এদের মধ্যে

         কোনগুলো জীব, কোনগুলো জীব নয়, তার তালিকা তৈরি কর। যেগুলো জীব নয় তাদেরকে কি বলা যায়  প্রশ্ন করবো –

  • এবারে জীব ও জড়বস্তুর বৈশিষ্ট্যগুলো বলতে বলুনঃ
  • তোমরা কেন মনে কর যে এগুলো জীব ?
  • মানুষ কি জীব না জড় বস্তু?
  • কী কারণে তোমরা জড়বস্তু থেকে আলাদা ?

৩। শিক্ষার্থীদেরকে দলে ভাগ করে  জীব ও জড়বস্তুর মধ্যকার সাধারণ বৈশিষ্ট্যসমূহ নিম্নলিখিত ছকে লিখে উপস্থাপন করতে বলবো।

জীবজড়
নিজে নিজে বৃদ্ধি পায়নিজে বৃদ্ধি পায় না
খাবার খায়খাবার খায় না

৪। এবারে আবার প্রত্যেক দলকে একটি জীবের( প্রাণির) নাম লেখা কার্ড এবং একটি জড়বস্তুর নাম লেখা কার্ড সরবরাহ করে দলীয়ভাবে তুলনা করতে বলুন। ।যেমন; বাঘ এবং গাড়ি, পাখি এবং উড়োজাহাজ, মানুষ এবং পুতুল, কুকুর এবং সাইকেল ইত্যাদি।

মানুষপুতুল  

৫। প্রত্যেক দলকে দলীয় কাজ উপস্থাপন করতে বলুন। উপস্থাপনের সময় অন্য দলের সাথে তাদের ধারণা বিনিময় করবে উপস্থাপনের সময় শিক্ষক তাদের উপস্থাপনের বিষয় বোর্ডে লিপিবদ্ধ করবেন।

৬। চকবোর্ডে একটি সারসংক্ষেপ তৈরি করুন ।

জীব ও জড়বস্তুর মধ্যে পার্থক্য:

             জীবজড়
চলাফেরা করে । বংশ বৃদ্ধি করে৷   খাদ্য গ্রহণ করে। চলাফেরা করে না । বংশ বৃদ্ধি করে না৷ খাদ্য গ্রহণ করে না।   

মূল্যায়নঃ  প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে এবং পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে মূল্যায়ন করুন ।

নমুনা পাঠ পরিকল্পনা-২

বিদ্যালয়ের নাম: ———————————————

শিক্ষকের নাম: ———————————————–

শ্রেণিঃ তৃতীয়
মোট শিক্ষার্থীঃ
উপস্থিত শিক্ষার্থীঃ
তারিখঃ
বিষয়ঃ প্রাথমিক বিজ্ঞান
পাঠঃ    বায়ু
পাঠ্যাংশঃ কীভাবে বোঝা যায় যে বায়ু আছে?
সময়: ৪৫ মিনিট

শিখনফলঃ   

  • বায়ু আছে তা উদাহরণ দিয়ে বলতে পারবে ।

উপকরণঃ গ্লাস ,কাগজ, বেলুন, সূতা,গাম ,কাঁচি ইত্যাদি।

শিখন-শেখানো কার্যাবলিঃ

১। শ্রেণিকক্ষে শিখন উপযোগী পরিবেশ তৈরি করণ।

২। আবেগ সৃষ্টিঃ (পাঠ সংশ্লিষ্ট ছড়া ,গান, কৌতুক, ধাঁধাঁ ইত্যাদির মাধ্যমে )

৩। নিম্নলিখিত প্রশ্নের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সাথে বায়ু সম্পর্কে আলোচনার সুত্রপাত/পূর্বজ্ঞান যাচাই করব:

  •  পরিবেশের এমন একটি উপাদান যা দেখা যায় না ,কিন্তু অনুভব করা যায় যা আমাদের চারপাশেই আছে -তার নাম কী? “বায়ু”৷ তাহলে আজ আমরা ‘বায়ু’ সম্পর্কে শিখব শিরোনাম ঘোষণা করে বোর্ডে লিখে দিব এবং খাতায় লিখে নিতে বলব।
  • এই শ্রেণি কক্ষের ফাঁকা জায়গাটা আসলে কি ফাঁকা ?
  • ফাঁকা জায়গায় কি আছে ?
  • কীভাবে বুঝলে যে বায়ু আছে ?

৪।   উপরোল্লিখিত প্রশ্নগুলোর আলোচনার পর  শিক্ষার্থীদের বায় পর্যবেক্ষণ করে খাতায় লিখে আনতে বলব তারা কী কী ঘটনা থেকে বুঝতে পেরেছে যে বায়ু আছে/বায়ুর চলাচল আছে?

ফিরে এসে দলে তার একটি তালিকা তৈরি করে উপস্থাপন করতে বলব।

৫। নিম্নলিখিত প্রশ্ন করব

  • যদি গাছের পাতা না নড়ে ,পতাকা না উড়ে তাহলে সেখানে কী আসলে বায়ু থাকেনা ?
  • বায়ু চলাচল না করলে কি করে বোঝা যায় যে বায়ু আছে ?

আলোচনার মাধ্যমে নিম্নোক্ত পরীক্ষণটি সম্পান্ন করব æযে বায়ু চলাচল না করলে কি করে বোঝা যায় যে বায়ু আছে?”

৬। একটি পানিপূর্ণ বালতির মধ্যে একটি গ্লাস উপুড় (গ্লাসের ভিতরে কাগজ মুড়িয়ে ) করে ডুবালে কী ঘটে  তা পর্যবেক্ষণ করতে  বলব এবং কেন এরকম ঘটে তা ব্যাখ্যা করতে বলব ।

  • গ্লাসটিতে কি কিছু আছে (উপুড় করে ধরেগ্লাসটি পানির মধ্যে ডুবালে কাগজ কী হতে পারে ?
  • কেন কাগজটি ভিজে গেল না?

৭। এবারে ডুবন্ত অবস্থায় গ্লাসটিকে  বালতির মধ্যে  কাত করলে কী ঘটে তা পর্যবেক্ষণ করতে  বলব  এবং গ্লাসের ভিতর থেকে যে বুদ বুদ বের হয় তা কী জানতে চাইব ।আলোচনায় নিম্নলিখিত প্রশ্নের উত্তর বলতে দিব।

  • গ্লাসের ভিতর থেকে যে বুদ বুদ বের হয় তা কি?

               এ পরীক্ষা থেকে কী বোঝা গেল?( বোর্ডে লিখব শিক্ষার্থীদের মতামতের ভিত্তিতে )

  • গ্লাসটি আসলে ফাঁকা ছিলনা 
  • আমাদের আশেপাশ আসলে ফাঁকা নয়।

–  তাহলে বায়ু কী?

৮।     শিক্ষার্থীদের আলোচনার ভিত্তিতে বোর্ডে  লিখব।

  • বায়ু দেখা যায় না কিন্তু আমরা তা অনুভব করি ।
  • বায়ু এমন একটা কিছু যা জায়গা দখল করেছে ।

৯।    নিম্নলিখিত প্রশ্নের মাধ্যমে লিখিত/মৌখিক মূল্যায়ন করব ।                                                 

  • কী প্রমাণ আছে তোমার কাছে যার দ্বারা বোঝা যায়  যে বায়ু আছে?
  • বায়ু চলাচল না করলেও কি বলা যায় যে  বায়ু আছে ?

নমুনা পাঠ পরিকল্পনা-৩

বিষয়:

শ্রেণি: তৃতীয়

পাঠের শিরোনাম: বায়ুর অস্তিত্ব প্রমাণ

পাঠের সূচনা: পরিবেশের উপাদান সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের পূর্বজ্ঞান যাচাইয়ের মাধ্যমে সূচনা করবো৷ শিক্ষার্থীরা নিশ্চয়ই মাটি, পানি, গাছপালা, বায়ু এসবের কথা বলবে৷ এরপর শিক্ষার্থীদের জিজ্ঞাসা করবো, মাটি ও পানি আছে তা দেখে বোঝা যায়, কিন্তু কীভাবে বোঝা যায় যে, বায়ু আছে?

উপকরণ: ছোট কাগজের টুকরা, একটি খাতা, একটি কাঁচের গ্লাস, একটি বালতি ভর্তি পানি।

শিখনফলশিখন-শেখানো কার্যাবলীমূল্যায়নের জন্য নমুনা প্রশ্ন
এ পাঠ শেষে শিক্ষার্থীরা হাতে কলমে বায়ুর অস্তিত্ব প্রমাণ করতে পারবে৷১৷ পাঠ্য বইয়ে খাতা নাড়ানোর পরীক্ষাটি যেভাবে বর্নিত আছে সেভাবে কাজটি শিক্ষার্থীদের সাহায্যে এগিয়ে নেব৷ শিক্ষার্থীরা এখানে উত্তর খুঁজবে কাগজের টুকরাগুলোকে কে সরিয়ে দিচ্ছে? শিক্ষার্থীরা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করবে৷ সবশেষে আমি শিক্ষার্থীদের উত্তর সমন্বয়ে পরীক্ষাটির ফলাফল বিশ্লেষণ করবো৷   ২৷ শুন্য গ্লাস উপুড় করে ডোবানোর পরীক্ষাটি পূর্বানুমান-পর্যবেক্ষণ-ব্যাখ্যাদান প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন করবো৷ শিক্ষার্থীরা এ প্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপে সক্রিয় অংশ নেবে৷  ১৷ বায়ুর প্রবাহ কী করে বোঝা যায়?           ২৷ স্থির বায়ুর অস্তিত্ব কীভাবে বোঝা যায় তা দেখাও৷

মূল্যায়ণ কৌশল: ছোট ছোট প্রশ্ন করে (নমনা প্রশ্ন ১) পাঠ চলাকালীন সময়ে শিক্ষার্থীর শিখনকে মূল্যায়ন করবো ও ফিডব্যাক দেব৷ হাতে কলমে পরীক্ষার মাধ্যমে (নমুনা প্রশ্ন ২) শিক্ষার্থীদের প্রক্রিয়াকরণ দক্ষতা যাচাই করবো৷

বিঃ দ্রঃ   ম্যানুয়ালে প্রণীত প্রদত্ত পাঠ পরিকল্পনাগুলো নমুনামাত্র। পাঠ পরিকল্পনা কাঠামো ব্যবহারে শিক্ষক স্বাধীন। শিশুদের শিখন চাহিদা কিংবা শিখনফলের উপর ভিত্তি করে শিক্ষক শিখন-শেখানো কৌশলে ভিন্নতা আনতে পারেন। তেমনি প্রাসংগিকতা ঠিক রেখে পাঠ পরিকল্পনার কাঠামো বিন্যাসেও নতুনত্ব আনতে পারেন।

বিজ্ঞান প্রশিক্ষণে আরও পোস্ট দেখুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!